.

বেদখলে ওয়ারিশ সম্পত্তি। মাননীয় ভূমি মন্ত্রণালয় ও মাননীয় জেলা সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ


হাতিয়া প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী জেলাধীন হাতিয়া থানার বাসিন্দা গ্রাম পুলিশ আবদুল খালেক গংদের ওয়ারিশ সম্পত্তি বেদখল। আব্দুল খালেক মিয়া ১০নং জাহাজমারা ইউনিয়নের গ্রামপুলিশ। তার মুখের ভাষ্য আমার বিট নং-৬, হাতিয়া থানা। আমি দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সহিত গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব পালন করিয়া আসিতেছি। ১নং সাক্ষীগন আমার ভাই, অন্যান্য সাক্ষীগন আমার আপন বোন হয়। নিম্ন তপশীল সম্পত্তি আমার মাতা ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হয়। আমার মাতা লেখাপড়া জানে না। আমার মাতার দুই সংসার হয়। আমরা বাদী ও সাক্ষীগন আমার মাতার পরের সংসারের ছেলেমেয়ে হই। আমরা ছোট থাকায় ও আমার মাতা লেখাপড়া না জানার কারণে বিবাদী আমার মাতার জায়গা জমি তদারকী করতেন। ১৯৪২ইং সনে ফজু মিয়ার মেয়ে তরিকা খাতুনের নামে ডিক্রী হয়। সে ডিক্রীকৃত কবলাও বিবাদী গোপন করে রাখে। যাহার এস.সি নং ২৪/২৩/৪৭-৪৮/বি হাতিয়া/১৯৯৪।
যাহার খতিয়ান নং-১১১০৭, দাগ নং-১০৯২৭ জমি পরিমাণ ১৩০ ডিং। এখন বিবাদী জোর করে আমার মাতার ওয়ারিশ সম্পত্তিগুলি খাইতেছে। ফজু মিয়া তরিকা খাতুনকে নাবালক রাখিয়া মৃত্যুবরণ করেন। তরিকা খাতুন সাবালক হওয়ার পর আলী আহম্মদ এর নিকট বিবাহ দেয়। তার পিতা মৃত ফজলে রহমান। আলী আহম্মদ মৃত্যুর পরে আইডারা, বাশারাচর হাজারী সাকিনের লোক হয়। পরবর্তীতে তরিকা খাতুনকে হাতিয়ার চরকিং শুলস্নকিয়া হাজী আতর আলীর ৪র্থ পুত্র মোখলেছুর রহমানের নিকট বিবাহ দেয়। সেই ঘরে বাদী এবং সাক্ষীগন
 জন্মগ্রহণ করে। ফজু মিয়ার ৩ মেয়ে (১) হানজামের নেছা, (২) কুরফের নেছা, (৩) তরিকা খাতুন। এই বিবাদী তরিকা খাতুনকে জমিগুলি দিতেছেনা। হানজামের নেছা, কুরফেরনেছাকে ইতিপূর্বে সম্পত্তি দেওয়া হইয়াছে। কিন্তু তরিকাকে ওয়ারিশ থেকেও বঞ্চিত রাখিয়াছে। আমরা ২৯শে মে/১০ইং তারিখে জমি বিক্রি করিতে গেলে সেখানে আমাদের জমি মাপিয়া দিবে বলিয়া ঘুরাঘুরি করিয়া সন্ধ্যা অনুমান ৭টার সময় বিবাদী ধমক দিয়া বলিতেছে যে, যদি আমি কিংবা আমার ভাই ও বোনের জমি দাবী করি কিংবা জমিনের আইলে আর যায় তা হইলে সে তাহার সন্ত্রাসীবাহিনী দ্বারা আমাদেরকে প্রাণনাশ করিবে। ঐখান থেকে আর বাড়িতে আসিতে দিবেনা। এর পরদিন ৩০শে মে/১০ইং তারিখে তাৎÿণিক আমরা মাইজদীতে আসিয়অ সাংবাদিক সম্মেলন করিয়া দৈনিক মুক্তখবর পত্রিকায় হুমকির খবর প্রকাশ করি। ১৫/০২/১১ইং তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সচিব ২৪/০২/১১ইং, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র সচিব ১৫/০২/১১ইং বুঝিয়া পায়। ২২/০২/১১ইং মাননীয় পুলিশ সুপার বুঝিয়া পায়, ২০/০১/১১ইং মাননীয় জেলা প্রশাসক বুঝিয়া পায়। ২০/০২/১১ইং মাননীয় আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ও সচিব কোম্পানীগঞ্জ থানা নির্বাহী, ২৬/০১/১১ইং কোম্পানীগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ২৬/০১/১১ইং চর হাজারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়, ২৬/০১/১১ইং আমি বাদী নিরূপায় হইয়া এতকিছু করার পরও আমি কোন প্রতিকার পাইনি এবং বিভিন্ন সাংবাদিক মিডিয়ার সহযোগিতায় সোহেল সাব, আকবর সাব, স্বপন, মো. জুয়েল এর তথ্য অনুযায়ী বসুরহাট পৌরসভা আওয়ার ৩৯৬ ডিং এবং পূর্ব দাবীকৃত চর হাজারী এবং কোম্পানীগঞ্জ মৌজা নং-১৪, খতিয়ান নং-০৯/৫১০/৫১১/৩৯৫/৩৯৬/৩৯৭/৫৬৪। 
দাগ৭৮৮৩/৭৮৮৪/৭৮০৮/৭৮৭৫/৭৮৭৬/৭৮৭৭/৭৮৭৮/৭৮৭৯/৭৮৮০/৭৮৮১/৭৮৮২/৭৮৬৫/৭৮৬৬/৭৮৬৭/৭৮৬৮/৭৮৬৯/২১৩৫/২১৩৬/২১৩৭/২১৩৮।
খতিয়ান ৯১ দাগ নং ২৪৩, খতিয়ান ১৫৭ দাগ ২৪০, খতিয়ান ৭৩ দাগ ৪০, ২০০ হাতিয়া এবং কোম্পানীগঞ্জ বসুরহাট পৌরসভা হাটহাজারী ১৪নং মৌজা দাবীকৃত সম্পত্তির ৩০ একর আরো বিভিন্ন কাগজপত্র এই বিবাদী গোপন করে রাখে। সাক্ষীগন : (১) আবদুল মালেক, পিতাঃ মৃত মোখলেছুর রহমান, সাং-নলেচর মোছাপুর গ্রাম। (২) নজিবা খাতুন, পিতা: মৃত মোখলেছুর রহমান, সাং শুলস্নকিয়া চরকিং, হাতিয়া। (৩) অজিবা খাতুন পিতা: মৃত মোখলেছুর রহমান, সাং-বয়াচর ৪নং ঘাটের পূর্ব পাশে। (৪) হাজেরা খাতুন, পিতা: মৃত মোখলেছুর রহমান, সাং-সুখচর, থানা-হাতিয়া, জেলা-নোয়াখালী। (৫) খবির উদ্দিন, পিতা: আবুল কামেম, সাং-চরঈশ্বর, হাতিয়া, নোয়াখালী। (৬) জয়নাল আবেদীন, পিতা: আবুল কামেম, চরঈশ্বর, হাতিয়া, নোয়াখালী। (৭) দিলারা বেগম, পিতা: সুফাদ্দার, সাং-নিঝুম দ্বীপ, হাতিয়া, নোয়াখালী, আসামী : (১) ওবায়দুল হক, (প্রাক্তন মেম্বার), পিং-মৃত জালাল আহম্মদ, সাং-কোম্পানীগঞ্জ, চরহাজারী ইউনিয়ন, জেলা-নোয়াখালী। (২) সৈয়দ মেম্বার, পিং মৃত সুলতান আহমদ ছোয়ানী, সাং-ঐ। (৩) সোবহান মেম্বার, পিং অজ্ঞাত, সাং-ঐ। (৪) সাহাব উদ্দিন, পিং অজ্ঞান, সাং-আমাদি হাট কাপড় দোকানদার, কোম্পানীগঞ্জ, চর হাজারী ইউনিয়ন, জেলা-নোয়াখালী। (৫) আব্দুর রব, পিং-মৃত আলী আহম্মদ, সাং-কোম্পানীগঞ্জ, শান্ত্মিরহাটের উত্তর পাশে, জেলা-নোয়াখালী। (৬) সামছুল হক, পিং-মৃত ছেরাজল হক, সাং-কোম্পানীগঞ্জ, হাতিয়া, বুড়িচর, জোরখালী, জেলা-নোয়াখালী। (৭) দুলাল উদ্দিন, পিং-রম্নহুলামিন, সাং-হাতিয়অ চরকিং, দক্ষিন শুলস্নকিয়া, হাতিয়া, নোয়াখালী। (৮) জামাল উদ্দিন, পিং-ঐ, সাং-ঐ। (৯) আব্দুল মোতালেব মেম্বার, পিং- অজ্ঞাত, সাং-ঐ। (১০) আব্দুল হালিম, সাং-ঐ, আড়াগো বাড়ী। (১১) হাফেজ আব্দুল হাই, পিং-মৃত মুন্সী তাহের আলী, সাং-৮নং সোনাদিয়া। (১২) হোদন চেরাং, পিং-ঐ, সাং-ঐ। (১৩) বর্তমান চেয়ারম্যান হারম্নন সাং-ঐ সকলে মিলে বেশকিছু জমি জবর দখল করে আছে। চোদ্দগ্রাম চরহাজার ইউনয়িনরে চেয়ারম্যান মোঃ হারুনুর রশিদ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ওয়ারিশ কাম র্সাটিফিকেট দেয়া নিয়ে তালবাহানা করছেন।

0 Response to "বেদখলে ওয়ারিশ সম্পত্তি। মাননীয় ভূমি মন্ত্রণালয় ও মাননীয় জেলা সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ"

Post a Comment