নাকাইহাট (গোবিন্দগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ডুমরগাছা
গ্রামে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আবুল কালামের ঘরবাড়ি প্রতিপক্ষের লোকজন পুড়িয়ে
দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । এ বিষয়ে আবুল কালাম ৭ জনকে অভিযুক্ত করে
গোবিন্দগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিকট
একটি অভিযোগ দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত্যু আব্দুল হাদি গংদের নিকট
থেকে প্রায় ৬০ বছর আগে জমি জমা আবুল কালামগংরা ক্রয় করে ঘর দরজা নির্মান পূর্বক ভোগদখল
করে আসছে। আব্দুল হাদি মৃত্যুর প্রায় ৪৫ বছর পর তার ছেলে হাবিজার রহমান (৪৫), মেয়ে
গোলাপি বেগম (৩২) ও স্ত্রী রহিমা বেওয়া (৭০) উক্ত সম্পত্তির দাবি করে সংশ্লিষ্ট সহকারি
জর্জ আদালতে একটি বাটোয়ারা মামলা করেন। এর পরও ক্ষ্যান্ত না হয়ে হাদি, গোলাপি
ও তার লোকজন আবুল কালামের ভাতিজা শিক্ষক শাহ আলমকে হত্যার হুমকি দেন। তিনি এরই প্রেক্ষীতে
গোবিন্দগঞ্জ থানায় গত ৪ অক্টোবর, ১৬৬ নং সাধারণ ডায়েরি (জি.ডি) করেন। পুলিশের
এএসআই জামাল জানান, এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আবুল কালাম জানান, এরই
এক পর্যায়ে হাবিজার ও তার ভাড়াটিয়া লাঠিয়াল বাহিনী সহ গত শুক্রবার বেলা ১ টার দিকে
পরিকল্পিত ভাবে মারাত্মক অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আবুল কালামের বসত বাড়ীর সম্পত্তি
দখল করতে যান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময়
প্রতিপক্ষের লোকজন আবুল কালামের উত্তর দুয়ারী টিনসেড ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। এতে বাঁধা দেয়ায় অন্তঃসত্বা
গৃহবধু হাসিনুরকে তারা এলোপাথারী মারপিট গুরুতর জখম করেন। পরে স্থানীয় লোকজন মুমূর্ষ
অবস্থায় হাসিনুরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। তবে গোলাপি
বেগমের ¯^vgx আব্দুর রশিদ এ সকল অভিযোগের সত্যতা A¯^xKvi করে জানান, তাদের সম্পত্তি দীর্ঘদিন থেকে আবুল কালাম ও তার লোকজন জোর পূর্বক ভোগ দখল করে আসছেন। গোবিন্দগঞ্জ থানার কর্তব্যরত অফিসার উপ-সহকারি পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) জাবেদ জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর আবুল কালামের ¯^v¶wiZ একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ৩ মহিলাসহ ৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।এ বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে,যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংক্ষা রয়েছে।এ বিষয়ে প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী #